শনিবার ২০শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর ভুতুড়ে বিলে হয়রানির শিকার গ্রাহক

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০     99 ভিউ
শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ এর ভুতুড়ে বিলে হয়রানির শিকার গ্রাহক

মোঃ আব্দুর রকিব, হবিগঞ্জ থেকে : হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিলের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা, অনেককেই  গুনতে হচ্ছে জরিমানা। অতিরিক্ত বিল প্রাপ্তির পর অফিসে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় না। অফিস থেকে বলা হয় বিল পরিশোধ করে লিখিত অভিযোগ করার জন্য। এতে অতিরিক্ত বিলের বোঝা ও হয়রানী দুটোই জুটে গ্রাহকের কপালে।

জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সময়ে সর্বত্র লকডাউন থাকা অবস্থায় পল্লী বিদুৎ সমিতির  লোকবল সংকট ছিল। তখনকার সময়ে  শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদুৎ  অফিসে বসেই অনুমানের ভিত্তিতে পুর্বের  মিটারের রিডিং দেখে বিল করা হয়েছিল।এখন লকডাউন শেষ হলেও ওই অনিয়ম থেকে এখনো বের হতে পারেনি পল্লী বিদুৎ প্রতি মাসেই  গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল আসে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।  গ্রাহকরা বিলের কাগজ সাথে নিয়ে জরুরী কাজ ফেলে পল্লী বিদুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন। অফিস থেকে বলা হয় বিল পরিশোধ করে লিখিত অভিযোগ করার জন্য। শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের ভুতুড়ে বিলের  শিকার সৈয়দ সামছুল আহমেদ। উনার আবাসিক মিটারে আগষ্ট মাসের বিল এসেছিল ১৪শ ৪৯ টাকা, কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে বিল এসেছে ২২ হাজার টাকা।

শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক সৈয়দ রুজেল আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, আমার বাবার নামের মিটারে আমি বিল পরিশোধ করে থাকি। সেপ্টেম্বর মাসের বিল দেখে আমি হতবাক হয়েছি। এরকম ভুল তারা কিভাবে করে।পরে আমি  পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার রিডার ও বিল বন্টন কারি আমার বাড়িতে এসে বিল ঠিক করে  দিয়ে গেছে। কম্পিউটারে প্রিন্ট বিভ্রাট হয়েছে বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করে এবং ২২ হাজার টাকা থেকে বিল  ১২৫০ টাকা করা হয়েছে। শুধু রুজেল আহমেদই নন, সম্প্রতি এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের অগুণিত সাধারণ গ্রাহক। ফলে পল্লী বিদুৎ এর দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতা নিয়ে ও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মোতাহার হোসেন বলেন,  আসলে করোনাকালীন সময়ে আমাদের লোকবল সংকট ছিল সে কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল বর্তমানে আমরা করোনার ভয় ডর না রেখেই দায়িত্ব পালন করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভুতুড়ে বিল আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, আসলে যারা রিডিং লিখে আনেন হয়ত একটা ডিজিট ভুলে বেশি লিখে ফেলছেন, সেজন্য বিল বেশি আসছে, তবে যেকোনো সমস্যা আমাদেরকে জানালে আমরা তাতক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করব।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com