রবিবার ১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ে  উপবৃত্তির  আবেদন গ্রহণে টাকা নেয়ার অভিযোগ 

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০     198 ভিউ
গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ে  উপবৃত্তির  আবেদন গ্রহণে টাকা নেয়ার অভিযোগ 
শাল্লা ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার প্রচীন গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি আইন অমান্য করে  দুর্নীতির মধ্যমে  ৩ শত টাকার বিনিময়ে ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন পরম গ্রহণ করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্ব প্রথম ১৯৫৮ সনে প্রতিষ্ঠিত সুনামধন্য গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্নীতি অনিয়মের ঘটনা প্রায়ই শুনা যাচ্ছে। ফলে দিনের পর দিন  প্রতিষ্টানের সুনাম ক্ষুন্ন  হচ্ছে।
সম্প্রতি গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণির ১ শত ৬৭ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই উপবৃত্তির আবেদন পরমপুরনে  ৩ শত টাকা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যারা টাকা দিতে অক্ষম হয়েছেন তাদের আবেদন গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ।
এনিয়ে  বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হবিবপুর গ্রামের  নিতিশ পুরকাস্থ বলেন, টাকা নেয়ার বিষয়টি সত্য। কিন্তু রশিদ ছাড়া কেন টাকা নেয়া হল সেটি তিনি অবগত  নন।  তিনি বলেন বেতনের টাকা নেয়ার বিষয়ে সভায়  সিদ্ধান্ত হয় । তবে সেই টাকা  রশিদ মারফত নেয়ার কথা।  এটি না করে কেন রশিদ ছাড়া ছাত্র ছাত্রীর কাছ থেকে ৩ শত করে টাকা রাখা হল সে বিষয়ে  আগামী সভায় আলোচনা করবো।
অন্য একজন সদস্য অজয় রায় বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক, উপবৃত্তির আবেদন করার সময় কেন টাকা নেওয়া হল সেটি আমার জানা নাই। তিনি বলেন রশিদ ছাড়া টাকা নেওয়ায় আমি নিজেই লজ্জিত। আমার নিকট অনেক অসচ্ছল অবিভাবক জানিয়েছেন তারা টাকা দিতে পারিনি বলে তাদের সন্তানের  উপবৃত্তির আবেদন রাখা হয়নি।
 অসহায় শিক্ষার্থীর অবিভাবক আনন্দপুর গ্রামের  শিল্পী রানী বলেন, আমি খুব কষ্ট করে সন্তানদের পড়ালেখা চালিয়েছি। উপবৃত্তির কথা শুনে আমি নিজে ইস্কুলে গিয়ে কেরানী রতন দাসের কাছ থেকে আবেদন ফরম এনেছি। পর দিন পরম জমা দিতে গেলে তিনি আমাকে ৩ শ টাকা দিতে বলেন। আমি টাকা দিতে অক্ষম হওয়ায় আমার আবেদন রাখেনি। বহু অনুরোধ করেছি কিন্তু টাকা ছাড়া আবেদন রাখা হবেনা বলে জানান। পরে বিষয়টি কমিটির সদস্যদের জানালে তারা আমার ছেলের আবেদন গ্রহণ করেন।     তিনি দুঃখ করে বলেন, এই যদি হয় তা হলে গরীব অসহায় পরিবারের সন্তানদের লেখা পড়া করানো সম্ভব হবেনা।
এনিয়ে কথা হয় প্রধান শিক্ষক আনন্দ মোহন দাসের সঙ্গে তিনি রশিদ ছাড়া টাকা নেয়ার বিষয়টি শিকার করে বলেন। বেতনের টাকা নেওয়া হয়েছে। রশিদ ব্যতিত টাকা নেয়ার বিধান আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন  রশিদ পরে দেওয়া হবে।
উপজেলা  মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমান কিরন এর মোটোফোনে ফোন  করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেন বলেন, উপবৃত্তির আবেদন পরমপুরনের নামে রশিদ ব্যতিত  টাকা নেয়া হলে সেটি আইন পরিপন্থী  ।  তিনি বলেন  সরকার পরিচালিত  যে কোন প্রতিষ্ঠানে  রশিদ ব্যতিত অর্থ লেনদেন করা অপরাধ মূলক কাজ। গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ে  যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এলাকাবাসী বলছেন  বিদ্যালয়টির অতীতের সুনাম পিরিয়ে আনতে হলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ভুমিকায়  দ্রুত  সচ্ছতা  ফিরিয়ে আনতে হবে অন্যতায় শিক্ষার্থীদের উপর এর বিরুপ প্রভাব পরতে পারে।
Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১০:২১ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com