রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ঐতিহ্যবাহী ধর্মপাশা সুখাইড় রাজাপুর দঃ ইউনিয়নে মহারাজ মিয়া ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘর

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০     60 ভিউ
ঐতিহ্যবাহী ধর্মপাশা সুখাইড় রাজাপুর দঃ ইউনিয়নে মহারাজ মিয়া ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘর
সাইফ উল্লাহ, সুনামগঞ্জ :  সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চল ধর্মপাশা উপজেলা সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে মহারাজ মিয়া চৌধুরী ও বঙ্গবন্ধু জাদুগর স্থাপিত করা হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সুখাইর রাজাপুর দক্ষীণ ইউনিয়নের মহারাজ মিয়ার বাড়ীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এসে আওয়ামীলীগের দলীয় সভা করেন। মহারাজ মিয়া বাংলোতে বৈঠক করেন। ধর্মপাশা উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নটি উপজেলার পুর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
অত্র ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার গোলাম মোস্তফা ধন মিয়া (৭৫) বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান মহারাজ মিয়ার বাড়ীতে উঠান বৈঠক করেছিলে। আমিও উঠান বৈঠকে ছিলাম, বারটি ছিল শুক্রবার, বৈঠক শেষে এই মসজিদে নামাজ আদায় করে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্য রোওয়ান হোন। আমরা তখন থেকে বঙ্গবন্ধুর বক্ত।
মহারাজ মিয়ার ছেলে সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান মো: আমানুর রাজা চৌঃ (৫৬), বঙ্গবন্ধু ও মহারাজ মিয়ার স্মৃতি ধরে রাখতে  জাদুঘর তৈরী করেন ২০১৯ সালে।
৮নং ওয়ার্ড মেম্বার সাদেকুর রহমান (৫৫) বলেন, আমরা ছোট কাল থেকেই জেনে শুনে এসেছি এই বাংলোতে বঙ্গবন্ধু এসে আওয়ামীলীগ দলকে সংগঠিত করার জন্য বৈঠক করেছেন, সেই থেকে এটাকে বঙ্গবন্ধু বাংলা বলা হত। এখন এই বাংলাতে মহারাজ মিয়া ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘর স্থাপন করেন ইউপি চেয়ারম্যান মো: আমানুর রাজা চৌধুরী।
লাল মিয়া (৬৫) বলেন, আমাদের উপজেলায় ২ জন সক্রিয় বঙ্গবন্ধুর মনোনিত নেতা ছিলেন, সাবেক ৪ বারের এমপি মরহুম হেকিম চৌধুরী ও মরহুম মহারাজ মিয়া। জেলার ৭ জন নেতার মাঝে ২ জন আমাদের ধর্মপাশার।
ইউপি চেয়ারম্যান মো: আমানুর রাজা চৌঃ (৫০) জানান, আমার মরহুম পিতা মহারাজ মিয়া চৌধুরী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে স্মরনীয় করার লক্ষে মহারাজ মিয়া ও বঙ্গবন্ধু জাদুঘর স্থাপন করেছি। আমার পিতা ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক, মরহুম এমপি আব্দুল হেকিম চৌধুরীর সাথে দুজন মিলে কাজ করতেন। আমি আশা রাখি এই জাদুঘর শুধু সমগ্র ইউনিয়নের জন্য নয়, ধর্মপাশা উপজেলার সব চেয়ে বড় এবং টেক সই জাদুঘর হবে । এব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেলবেষ ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুর হোসেন বলেন, মরহুম মহারাজ মিয়া বঙ্গবন্ধুর সহচর ছিলেন, মহারাজ মিয়া চৌধুরী শুধু আওয়ামীলীগ নেতাই ছিলেন না, তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ছিলেন।
Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:১৩ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২১ মার্চ ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com