বুধবার ১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ছাতকে তিন সন্তানের জননীসহ প্রেমিক আটক অতঃপর গভীর রাতে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মুক্ত

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০     102 ভিউ
ছাতকে তিন সন্তানের জননীসহ প্রেমিক আটক  অতঃপর গভীর রাতে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মুক্ত

বিজয় রায়, ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে পর পুরুষের হাত ধরে পালিয়ে যাবার সময় তিন সন্তানের জননী তার লম্পট প্রেমিককে আটক করে জনতা স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে। পরে কোন আইনী ব্যবস্থা না নিয়েই পুলিশ ফাঁড়ি থেকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের বারোগোপী  গ্রামে।

স্থানীয় লোকজন জানান, জগন্নাতপুর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের বকুল মিয়ার স্ত্রী, তিন সন্তানের জননী এ গৃহবধূ গত কয়েকদিন আগে বেড়ানোর জন্য বারোগোপী গ্রামের পিত্রালয়ে আসে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিকান্দি গ্রামের তৈমুছ আলীর পুত্র সাইদুল ইসলামের হাত ধরে একটি সিএনজি যোগে পিত্রালয় ছাড়ে এ গৃহবধূ। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে ধাওয়া করে জটি গ্রাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জমির উদ্দিনের কাছে নিয়ে আসে।

এখানে ইউপি সদস্য স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও বিষয়টি সমাধান দিতে না পেরে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাদের জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হস্তান্তর করেন ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন। ফাঁড়িতে গভীর রাত পযর্ন্ত তাদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।  পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা গ্রহন না করেই গভীর রাতে তাদের ছেড়ে দেয়া হলে হতভম্ব হয়ে পড়েন স্থানীয় লোকজন। ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি তারা বাঁকা চোখে দেখছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই গৃহবধূসহ লম্পটকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন এ ব্যাপারে জানান, পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে তার কাছে নিয়ে আসে। সাইদুল ও গৃহবধূর সাথে আলাপচারিতায় বোঝা গেছে তারা অবৈধ সম্পর্কে আসক্ত। যা একটি সামাজিক অপরাধ বলে তিনি মনে করেন। বিষয়টি জটিল ও অপরাধমুলক হওয়ায় আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

তিনি জানান, গভীর রাতে গায়াছ মিয়া নামের এক জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তি তদন্ত কেন্দ্র থেকে অপরাধিদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এখানে প্রভাব ও আর্থিক লেনদেন কাজ করেছে বলে জমির উদ্দিন মেম্বার মনে করেন। ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়া জানান, তিনি শুক্রবারে বিকেলে বিষয়টি জেনেছেন। এর বেশী কিছু তিনি জানেনা।

এ ব্যাপারে জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই দিদার জানান, বিষয়টি ছিল পারিবারিক কলহজনিত ঘটনা। গৃহবধূর পারিবারিকভাবেই পরিচিত ছিল সাইদুল। ভুল বোঝাবুঝির কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। রাতেই স্বামীর কাছে গৃহবধূকে তুলে দেয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

(460 ভিউ)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com