সোমবার ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

শাল্লায় চেয়ারম্যানরা বয়কট করেছে  ধান সংগ্রহ কমিটির সভা  

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২০ 35 ভিউ
শাল্লায় চেয়ারম্যানরা বয়কট করেছে  ধান সংগ্রহ কমিটির সভা  

পি সি দাশ,  শাল্লা (সুনামগঞ্জ)  প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের  শাল্লায় ধান  সংগ্রহ কমিটির সভায়  কোন চেয়ারম্যান অংশ গ্রহণ করেননি।  বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়, ৪ ইউপি চেয়ারম্যান সহ কমিটির অধীকাংশ সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন না।  মঙ্গলবার বেলা ১১ টায়  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নামে মাত্র সরকারি ৪ থেকে ৫ জন অফিসার ব্যতিত কমিটির অন্য কোন সদস্য  উপস্থিত ছিলেন না। এনিয়ে উপজেলায় আলোচনার ঝড় উটেছে ।  সচেতন মহল বলছেন এত গুরুত্বপূর্ণ সভায় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে  কোন সিদ্ধান্ত নেয়া শুভনিয় নয় ।

যেখানে জনতার সার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় জড়িত রয়েছে সেই সভায় জনপ্রতিনিধি অনুপস্থিত সত্যি দুঃখজনক।  তার পরে ও কি করে এসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনুপস্থিত রেখেই সভায় আগামি মে মাসের ৫ তারিখ কৃষিকার্ড সংগ্রহের শেষ তারিখ, ৭ মে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন এবং একজন কৃষক সর্বোচ্চ দুই টন ধান দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

তবে  বাস্তব সত্য  হলো দীর্ঘ দিন যাবত শাল্লার চেয়ারম্যানদের মধ্যে প্রশাসন  নির্ভর চিন্তাই আজকের এই অবস্থা বলে এলাকার অনেকেই বলাবলি করছে। জনতার রায়ে জনপ্রতিনিধি তাই জনতার সার্থে ন্যায় কথা বলতে হবে অনত্যায় জনতার কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে।  যে সভায় চেয়ারম্যানরা নেই সেই সভায় কি করে সিদ্ধান্ত হয়, তা নিয়ে চেয়ারম্যানদের ভাবতে হবে।

তবে একটি সূত্রে নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ধান ক্রয় কমিটির  সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  কৃষক তালিকা তৈরির হলে ও পরে  নয় ছয়  হয়েছিল। এ জন্যই  তারা সভা বয়কট করেছেন।

এবিষয়ে ১ নং আটগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের সাথে কথা হলে তিনি  ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন মিটিংএ গিয়ে কি হবে।ধান দেওয়া হয় সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে।লটারির মাধ্যমে যে তালিকা করা হয় এর পরেও ধান দিতে আরেক জনের অনুমতি  লাগে। আমরা মিটিংএ যে সিন্ধান্ত নেই পরে এটা ঠিক থাকে না। এখানে অনেক বড় সিন্ডিকেট আছে।

২নং হবিবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান  বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল অবশ্য বলেছেন শারীরিক  অসুস্থতার কারনে তিনি  সভায় যেতে পারিনি।

৩নং বাহাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিধান চৌধুরী  বলেন আমি সভার চিঠি পাইনি। আমাকে সভার আধাঘন্টা আগে ফোনে  জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন সভায় গিয়ে কি লাভ, আমাদের কথার যথাযত মূল্যায়ন করা হয় না।

৪ নং শাল্লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জামান চৌধুরী ফুল মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন ফোনে সব কথা বলা যাবেনা বলেই পরে কথা হবে বলে ফোন কেটে দেন।

 

ধান ক্রয় কমিটির সভা নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান দীপু রঞ্জন দাস ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অমিতা রানী দাস বলেন, এই সভা সংক্রান্ত বিষয়ে  তারা কোন চিঠি পাননি ।

 

সভা সংক্রান্ত বিষয়ে  উপজেলা চেয়ারম্যান আল আমিন চৌধুরী বলেন, আমি বাহিরে ছিলাম, আমাকে সভার সিদ্ধান্তের বিষয় ফোনে জানানো হয়। আমি  সভার সিদ্ধান্তে সহমত প্রকাশ করেছি।  পরে জানতে পারি সভায় কোন চেয়ারম্যান যাননি। এবিষয়ে তিনি ক্ষুব্ধ পতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি জানান চেয়ারম্যানবৃন্দ অনুপস্থিত রয়েছেন   জানলে সহমতের প্রশ্নই আসেনা।

 

এনিয়ে কথা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ধান ক্রয় কমিটির সভাপতি আল মুক্তাদির হোসেন  এর সাথে,  সভায় চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতিতে সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সবাইকে জানানো হয়েছে, কৃষি কাজের জন্য হয়তো উনারা সভায় আসতে পারেননি। জেলার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের সভার পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সভায় সিদ্ধান্ত করতে হয়েছে বলে তিনি জানা।   তবে এই ঘটনায় এলাকায় চঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে।

 

Facebook Comments
advertisement

Posted ১০:১১ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com