বৃহস্পতিবার ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কৃষকের সোনালী ধান ঘরে তুলতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে – এমপি আব্দুল মজিদ খান

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০     65 ভিউ
কৃষকের সোনালী ধান ঘরে তুলতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে – এমপি আব্দুল মজিদ খান

মখলিছ মিয়া, বানিয়াচং :  হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস এর কারনে সব কিছু থেমে গেছে, জন জীবন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। এর সাথে অর্থনৈতিক অবস্থাও সীমিত হয়ে আসছে, কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে এখনও পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে।

এরই মধ্যে হাওড় অঞ্চল হিসেবে খ্যাত বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জে বৈশাখী সোনালী ফসল গোয়ালে তোলার সময় হয়েছে। যা আমাদের জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। বৈশাখ মাসকে সামনে রেখে  কৃষকদের মধ্যে ধান কাটার শ্রমিক সঙ্কটের যে আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল তা আশা করি  হবে না। কারণ, ওই দু’ এলাকার  হাজার হাজার লোকজন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন পেশায় ছিলেন তারা বর্তমানে  বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাদের একটি অংশ ধান কাটায় অভ্যস্থ। তা ছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে যদি কোন কৃষক ধান কাটার শ্রমিক আনতে চান এক্ষেত্রেও আমাদের সহযোগিতা থাকবে। এসব শ্রমিকদের সরকারি-বেসরকারি সব স্কুল প্রতিষ্ঠানে থাকার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যসহ যে কোন জিনিসের সমস্যা হলে প্রশাসন থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে। ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বিকালে ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিক বৈশাখী ধান কাটা উৎসবে যোগ দিয়ে কৃষকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন। তিনি আরও বলেন, কৃষকরা যাতে করে অতি সহজে ও কম খরছে তাদের সোনালী ফসল গোয়ালে তুলতে পারেন এ জন্য ভতুর্কী দিয়ে ধান কাটার কম্পাইন হারভেস্টার মেশিন দিচ্ছে সরকার।  যা দিয়ে দ্রত সময়ের মধ্যে অনেকগুলো জমির ধান কাটা সম্ভব। এর মূল্য হচ্ছে ২২ লাখ টাকা। যা ইউসুফপুর গ্রামের সামছু মিয়া উপজেলা কৃষিবিভাগের সাথে যোগাযোগ করে এনেছেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সরকার ১২ লাখ টাকা ভর্তুকী দিচ্ছেন প্রতিটি মেশিনে। দ্রুত সময়ে এ মেশিনে ধান কাটাসহ মাড়াই এক সাথেই হবে। আমি আশা করি করোনা ভাইরাসের যে ক্ষতি অন্যান্য দেশে হবে, তা কিন্তু আমাদের বৈশাখী ফসল যদি পুরোপুরিভাবে গোয়ালে তোলা যায়, তাহলে ক্ষতি অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তা ছাড়া আমাদের খাদ্যের কোন ঘাটতি হবে না। আমি বিশ্বাস করি কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, এবং দেশ বাঁচলে কৃষকও বাঁচবে।

এ ক্ষেত্রে কৃষকদের ধানকাটা সম্পন্ন করতে সরকার সর্ব শক্তি দিয়ে পাশে আছে। কৃষকদের যে কোন সমস্যা সমাধান কল্পে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এরপরও যদি কোন কৃষক সমস্যার সম্মুখীন হন তাহেেল সাথে সাথে স্থানীয় কৃষিবিভাগকে জানানোর জন্য তিনি কৃষকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ দুলাল উদ্দিন, ৬নং কাগাপাশা ইউপি চেয়ারম্যান মো. এরশাদ আলী, দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি মখলিছ মিয়া, দৈনিক খোয়াই’র স্টাফ রিপোর্টার শিব্বির আহমদ আরজু, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা আবু কাওছারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, এ বছর বানিয়াচং উপজেলায় ইরি-বোরো জমি আবাদ হয়েছে ৩৫ হাজার ১শ’ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১লাখ ৭৫ হাজার মেট্টিকটন এবং এখন পর্যন্ত কর্তন হয়েছে ২ হাজার ১শ’ হেক্টর জমি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:৪৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

Sylheter Janapad |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
সম্পাদক ও প্রকাশক
গোবিন্দ লাল রায় সুমন
প্রধান কার্যালয়
আখরা মার্কেট (২য় তলা) হবিগঞ্জ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
ফোন
+88 01618 320 606
+88 01719 149 849
Email
sjanapad@gmail.com